বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
সম্পাদক
বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠিতে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাত দিনের লকডাউনের আজ তৃতীয় দিন চলছে সকাল ৮টা থেকে ৩টা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় দোকান পাট খোলা রেখে কঠোর লকডাউন পালন করতে দেখা যাচ্ছে চুলকাঠি বাজার বনিক সমিতির।করোনার এই মহামারী প্রাণঘাতী পরিস্থিতি আজ গোটা বিশ্বের অর্থনীতি,ব্যবসা বানিজ্য, শিক্ষা ব্যাবস্থা বিপর্যয়ের মুখে।চরম বিপাকে পড়েছে দিনমজুর অসহায় ভ্যান-রিক্সা ড্রাইভার ও মধ্যে বিত্ত আয়ের লোকজন। পরিস্থিতি যেন দিন থেকে দিন ভয়ংকর আকার ধারণ করছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল কোন মতে থামছে না দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি।হারিয়ে পেলেছি কারো বাবা- মাকে অনেক আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে ঠাই নাই রোগী রাখার হাসপাতাল যেন মৃত্যুপরীতে রুপ নিয়েছে ডাক্তার তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে।সরেজমিনে দেখাযায় চুলকাঠি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের আইসি ওলিয়ার রহমানের নেতৃত্ব চুলকাঠি পুলিশ প্রশাসন কঠিন অবস্থানে ভুমিকা পালন করছে খুলনা-মোংলা হাইওয়ে মহাসড়কে চলন্ত গাড়ি মাহেন্দ্র ইজিবাইক ভ্যান সকল ধরনের যানবাহন গতিরোধ করে ফেরত দিতে দেখা যায় এব্যাপারে তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি চুলকাঠি টুয়েন্টি ফোর প্রতিনিধিকে জানান আমাদের অভিযান করোনাকালিন সকল স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে সরকারি আদেশ পালনের দ্বায়িত্ব পালন করছি আমাদের অভিযান চলছে চায়ের দোকান হোটেল রেস্তোরাঁয় রাস্তাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাহিরে নয় বিশেষ ভাবে মাস্ক এর প্রতি গুরুত্বআরোপ দিয়ে সকলকে মাস্ক পড়তে বাধ্যতামুলক করেছেন। এছাড়া বাগেরহাটে জেলাতে চলছে লকডাউনের তৃতীয় দিন চলছে বিভিন্ন সময় দেখা হচ্ছে ভ্রাম্যমান আদালত কতৃক জরিমানাসহ অর্থদন্ড।লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা। বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টায় শুরু হওয়া লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট।সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাগেরহাট সদর এর চুলকাঠি বাজারে ও পোলেরহাট
বাজারসহ বিভিন্ন অলিগলি রাস্তাঘাট ছিল ফাকা। অতি জরুরি প্রয়োজনে রাস্তায় এসে যানবাহন না পেয়ে বিপাকেও পড়েছেন অনেকে। হেটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে দেখা গেছে অনেককে। করোনা সংক্রমণরোধে এই লকডাউনের পাশাপাশি দিনমজুর ও হত দরিদ্রদের খাবারের বিষয়ে নজর দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এই এলাকার ইজিবাইক ও ভ্যান চালকরা।বৃহস্পতিবার সকালে চুলকাঠি ও সি এন্ড বি বাজারে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের টহল জোরদার ছিল । রোগী ও জরুরি পরিবহন ছাড়া অন্য যেকোন পরিবহনকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে দেখা যায় পুলিশকে। সকল প্রকার গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে হেটে গন্তব্যে যেতে দেখা অনেককে।
Leave a Reply