শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান পলাশের মোটরসাইকেল গণসংযোগ রামপালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ৩ বছরের জোবায়ের, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা রামপালে জমি দখল চেষ্টা ও মামলা করে হায়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার মতবিনিময় সভাকে ঘিরে জেলা আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুর রহমানের ব্যাপক প্রস্তুতি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক
খুলনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাবেক চেয়ারম্যান শীর্ষ সন্ত্রাসী মিনা কামাল নিহত

খুলনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাবেক চেয়ারম্যান শীর্ষ সন্ত্রাসী মিনা কামাল নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট: খুলনা রূপসার নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শীর্ষ সন্ত্রাসী মোস্তফা কামাল ওরফে মিনা কামাল (৫২) র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে বাগেরহাটের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে পুটিমারী গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, ম্যাগজিন, গুলি, ধারালো চাকু, ৬৬ হাজার টাকা ও ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে।

খুলনা র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রওশনুল ফিরোজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ওই স্থানে অভিযান চালালে মিনা কামালের সহযোগিরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় পাল্টা গুলি চালালে ক্রসফায়ারে মিনা কামাল গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে রামপাল থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, তার বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, ডাকাতিসহ ২৫টির বেশি মামলা রয়েছে। জেলা পুলিশের শীর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর তালিকায় রয়েছে তার নাম। তিনি নিজেকে ফাটাকেষ্ট বলে পরিচয় দিতেন। নিজ বাড়িতে বিচারালয়ের নামে কামাল বসিয়েছিল টর্চার সেল। সেখানে বিচার-সালিসের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে চালানো হতো অবর্ণনীয় শারীরিক-মানসিক নির্যাতন। বিচারের নামে হাতুড়িপেটা করে হাত-পা ও পাঁজরের হাড় ভেঙে দেওয়া হতো।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১০ বছরে তার বাহিনীর হাতে দুই শতাধিক মানুষ নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। খুন হয়েছেন ৯ জন। ভয়ে-আতঙ্কে সহায়-সম্বল রেখে পরিবার নিয়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছে কয়েক শ পরিবার। মিনা কামালের সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছে জিম্মি রূপসার ৫০ হাজার মানুষ।

দখল, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদক বাণিজ্য করে গড়ে তুলেছেন বিপুল অবৈধ সম্পদ।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers