রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
বাগেরহাট অফিস
বাগেরহাটে অসামাজিক কাজে বাধা দেওয়ায় পিতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত ঘরে ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।সদর উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামে (বাজার) বুধবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।নওয়াপাড়া গ্রামের রাশেদ হালদারের পুত্র হোটেল ব্যবসায়ী জয়নাল হালদার জানান,বিপদগামী কন্যা নাজমা বেগম তার বাড়ীতে ঘর তৈরী করে দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করার সুবাধে একই গ্রামের চিংড়ি মাছ ব্যবসায়ী রুহুল এর সাথে সু সম্পর্ক তৈরী হয় এবং তারা এক পর্যায়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে।এঘটনায় এলাকা বাসী ও মুসল্লীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।হোটেল ব্যবসায়ী জয়নাল ও এলাকাবাসী এই অসামাজিক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে বার বার নিষেধ করলে ও তারা কোনো কিছু তোয়াক্কা না করে প্রতি নিয়তই রুহুল ও নাজমা তাদের অসামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।নওয়াপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি হাবিব হাওলাদার সাধারন সম্পাদক মকবুল হোসেন,ডা: মারুফ,মানসুর হোসেন,রাহিলা বেগম অভিযোগ করে বলেন,রুহুল ও নাজমার দীর্ঘ দিন ধরে অসামাজিক ও নোংরা কর্মকান্ড করায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ খারাপ হওয়ার কারনে আমরা বহুবার তাদের এপথ থেকে সরে আসতে বলি কিন্ত তারা আমাদের কথায় কোনো কর্ণপাত করে না।ঘটনার দিন বুধবার বিকেলে রুহুল ও নাজমা নেতৃত্বে ৮/১০জন মিলে জয়নাল এর বাজারে খাবার হোটেল ও তার বসত বাড়ী ভাংচুর করে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।এঘটনায় জয়নাল বুধবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।এব্যাপারে নাজমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্বে আনিত অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমার তৈরি করা ঘর আমি ভেঙ্গে নিয়ে এসেছি।অভিযুক্ত রুহুল আমিন বলেন,নাজমার সাথে আমার কোনো অবৈধ সম্পর্ক নাই এবং ঘর ভাচুরের সাথে আমি জড়িত না।ক্ষতিগ্রস্থ রাহিলা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে নানান অভিযোগ তুলে ধরে বলেন,আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত ঘর ভাংচুরকারী রুহুল আমিন ও নাজমার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই।বাগেরহাট মডেল থানার ওসি তদন্ত ফকির পান্নু মিয়া বলেন,জয়নাল এর লিখিত অভিযোগ পেয়ে সাধারন ডাইরী করা হয়েছে।তদন্ত পুর্বক আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
Leave a Reply