বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি’র নেতার হামলায় মা ও ছেলে মারাত্মক জখম বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা খেলার সরঞ্জাম বিতরণ রাজনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান পলাশের মোটরসাইকেল গণসংযোগ রামপালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ৩ বছরের জোবায়ের, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা রামপালে জমি দখল চেষ্টা ও মামলা করে হায়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার মতবিনিময় সভাকে ঘিরে জেলা আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুর রহমানের ব্যাপক প্রস্তুতি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি
নতুন ঠিকানায় নতুন জীবনের স্বপ্ন

নতুন ঠিকানায় নতুন জীবনের স্বপ্ন

ফরিদপুর সদর উপজেলার অবহেলিত জনপদের নাম ডিক্রীরচর। দফায় দফায় পদ্মার ভাঙনে পুরো ইউনিয়নের সিংহভাগ চলে গেছে নদীগর্ভে। গৃহহীন হয়ে পড়েছে হাজারো পরিবার। তাদের কথা ভেবেই আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর অধীনে ডিক্রীরচর ইউনিয়নের পালডাঙ্গীতে গড়ে তোলা হয়েছে ‘আবাস স্থান’। এখানে নির্মিত প্রত্যেকটি ঘর যেন ভূমি ও গৃহহীন মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা, নির্ভরতার স্থান। নতুন ঠিকানায় উঠেই এ মানুষগুলো নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুম রেজা বলেছেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার গৃহহীনদের জন্য জমিসহ ঘর। উপজেলায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৬৫টি ঘরের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সেখানে উপকারভোগীরা বসবাস শুরু করছেন। এতে চরাঞ্চলের নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন আসছে। তারা এখন নানান অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়েছেন। পর্যায়ক্রমে চরাঞ্চলের নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।ডিক্রীরচর ইউনয়িনের আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, যারা ঘর পেয়েছেন তাদের আনন্দের শেষ নেই। অনেককেই দেখা গেছে, ঘরের আশপাশের ফাঁকা জমিতে শুরু করেছেন সবজি চাষ। লাগিয়েছেন নানা ফল-ফুলের গাছ। কেউ পালন করছেন হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল-ভেড়া।নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত তোতা মিয়া বলেন, ‘নদী ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে গেছিলাম। ভিটা-বাড়ি হারিয়ে পথে পথে ঘুরেছি। অন্যের জমিতে থেকেছি। এখন প্রধানমন্ত্রী আমাদের পাকা ঘর ও জমি দিয়েছেন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।’জমিসহ ঘর পাওয়া ছবি বেগম বলেন, ‘জীবনের শেষ বয়সে এসে পাকা ঘরে থাকতে পারব স্বপ্নেও ভাবিনি। দোয়া করি প্রধানমন্ত্রীর জন্য। আমার মাথায় যত চুল আছে, ততদিন যেন বেঁচে থাকেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।’ডিক্রীরচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু বলেন, গৃহহীন এসব পরিবারের সদস্যরা পাকা ঘরে ঈদ উদযাপন করেছে। তারা নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। নতুন ঠিকানায় গাছপালা লাগিয়েছে। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন করছে। তাদের জন্য কিছু করতে পেরে আমরাও আনন্দিত। তবে এখনও আমার ইউনিয়নে অনেক অসহায় ও গৃহহীন পরিবার আছে। পর্যায়ক্রমে তাদেরও ঘর-জমি দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers