শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি’র নেতার হামলায় মা ও ছেলে মারাত্মক জখম বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা খেলার সরঞ্জাম বিতরণ রাজনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান পলাশের মোটরসাইকেল গণসংযোগ রামপালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ৩ বছরের জোবায়ের, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা রামপালে জমি দখল চেষ্টা ও মামলা করে হায়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার মতবিনিময় সভাকে ঘিরে জেলা আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুর রহমানের ব্যাপক প্রস্তুতি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি
জোটেনি একটা কার্ড, অভিমানেই পৃথিবী ছাড়লেন প্রতিবন্ধী তরুণী

জোটেনি একটা কার্ড, অভিমানেই পৃথিবী ছাড়লেন প্রতিবন্ধী তরুণী

চুলকাঠি ডেস্ক : জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী রত্না খাতুন (২৬)। তবে প্রতিবন্ধী হলেও প্রতিবন্ধী ভাতা কিংবা সরকারি সাহায্য-সহযোগিতা কোনো কিছুই তার ভাগ্যে জোটেনি। এর মধ্যে করোনার থাবায় আয়ের উৎসটুকুও বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় সংসারের অভাব অনটন সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন হতভাগ্য এই নারী।

সোমবার সকালে নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পরিবার। করোনায় কোনো কাজ না থাকায় আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা পরিবার ও পুলিশের। কুমারখালী থানার ওসি মামুনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রত্না খাতুন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর যদুবয়রা গ্রামের দিনমজুর মফিজের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী রত্নার জীবন ছিল ওষুধের ওপর নির্ভরশীল। তারপরও কারো কাছে হাত না পেতে দর্জির কাজ করে সংসার চালাতেন রত্না। সংসারের সব খরচ তিনি একাই বহন করতেন।

রত্না জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী। ২৬ বছরেও তার কপালে জোটেনি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড। বেঁচে থাকতে মেলেনি কোনো প্রকার সরকারি সাহায্য সহায়তা।

করোনায় কাজ না থাকায় অভাব ছিল তার নিত্যদিনের সঙ্গী। অভাবের কষ্ট সইতে না পেরে সোমবার সকালে নিজ ঘরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল আলম বলেন, তার প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সহযোগিতা করে আসছি তাকে। সমাজসেবা অফিস থেকে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করতে গেলে তার ডাক্তারি কোনো কাগজপত্র না থাকায় তা হয়নি। এবার আমরা বলার পরই তার কাগজপত্র জমা নেয়া হয়েছে।

কুমারখালী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড যাচাই বাছাইয়ের তালিকায় রত্নার নাম নেই। সে আমাদের কাছেও আসেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers