শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি’র নেতার হামলায় মা ও ছেলে মারাত্মক জখম বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা খেলার সরঞ্জাম বিতরণ রাজনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান পলাশের মোটরসাইকেল গণসংযোগ রামপালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ৩ বছরের জোবায়ের, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা রামপালে জমি দখল চেষ্টা ও মামলা করে হায়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার মতবিনিময় সভাকে ঘিরে জেলা আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুর রহমানের ব্যাপক প্রস্তুতি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি
গণভবনের লেকে ছিপ দিয়ে মাছও ধরি: প্রধানমন্ত্রী

গণভবনের লেকে ছিপ দিয়ে মাছও ধরি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘুম থেকে উঠেই নামাজ পড়ি। কোরআন তিলাওয়াত করি।এরপর এক কাপ চা নিজেই বানাই। আমার চা টা আমিই বানাই। নিজের চা-কফি নিজেই বানিয়ে খাই। এরপরে বই-টই যা পড়ার পড়ি। সকালে একটু হাঁটতে বের হই। তবে আরেকটা কাজ করি এখন। গণভবনে একটি লেক আছে। যখন হাঁটতে যাই, লেকের পাড়ে বসি, তখন একটা ছিপ নিয়ে বসি, লেকে মাছও ধরি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাসায় আমার ছোটবোন থাকে। যে আগে ওঠে সে চা বানায়। এখন আমার মেয়ে পুতুল আছে। যে ঘুম থেকে আগে ওঠে সেই বানায়। আমরা নিজেরা করে খাই। এর আগে নিজের বিছানা থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে বিছানাটা গুছিয়ে রাখি নিজের হাতে।

বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

‘আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনা দেয় এই গরিব কৃষক, আপনার মাইনা দেয় এই জমির শ্রমিক। আপনার সংসার চলে এই টাকায়। আমি গাড়ি চড়ি ওই টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলেন। ওদের ইজ্জত করে কথা বলেন, ওরাই মালিক। ’ ফখরুল ইমাম বঙ্গবন্ধুর এই উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, সরকার এখনও এই কথাগুলোর ওপর ভরসা করে কি-না।

এ বিষয়ে সংসদ নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরাও কিন্তু এটাই বিশ্বাস করি। আমরা ছোটবেলা থেকে সেভাবেই শিক্ষা নিয়েছি। আমার বাবার নির্দেশ ছিল। একজন রিকশাওয়ালাকে আপনি করে কথা বলতে হবে। বাড়ির ড্রাইভারকে ড্রাইভার সাহেব বলতে হবে। আর কাজের যারা লোকজন, তাদের কখনও চাকর-বাকর বলা যাবে না। হুকুম দেওয়া যাবে না। তাদের কাছে সম্মান করে চাইতে হবে। প্রধানমন্ত্রী হতে পারি এখনও কারও কাছে যদি এক গ্লাস পানিও চাইতে হয় (যতটুকু পারি নিজেই করে খাই) তাদের

জিজ্ঞেস করি আমাকে এক গ্লাস পানি দিতে পারবে। এই শিক্ষাটা আমরা নিয়ে এসেছি। এখনও মেনে চলি। এটা বাবারই শিক্ষা। শুধু তিনি বলে গেছেন তা না। এই শিক্ষাটা আমাদের দিয়েও গেছেন। কাজেই সেই দিক থেকে আমি মনে করি মানুষ গরিব দেখলে বা ভালো পোশাক না পড়লে তাকে অবহেলা করতে পারে, কিন্তু আমাদের কাছে কিন্তু সেটা না। আমাদের কাছে সবাই সমান সমাদর পায়। বরং যাদের কিছু নাই, তাদের দিকে আমরা একটু বেশি নজর দিই, দৃষ্টি দিই।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers