সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক চুলকাঠি পলাশ কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা বাগেরহাটে জেলা সমবায় ভূমির উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে রামপালে প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে রামপালে প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মেহেদী হাসান,রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
তিনদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও ঝড়ে বাগেরহাটের রামপালে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ী, পুকুর ও চিংড়ি ঘেরের। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে ১৪ হাজার ৪শ মানুষ। এ এলাকার দুর্গতদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহায়তা প্রদাণ অব্যাহত রয়েছে। ৩৩৩ এ কল করলেই দুর্গতদের বাড়ীতে পৌঁছে যাবে সহায়তা,  জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: কবীর হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ দুর্গতদের যারাই ৩৩৩ নম্বরে কল করবেন তাদের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। উপজেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা তিনদিনের বৃষ্টিপাত ও সেই সাথে ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নানা ধরণের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে কম বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ঘরবাড়ীর দিক দিয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে উজলকুড় ইউনিয়নে। এ উপজেলায় মোট ১৫টি ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তারমধ্যে ১২টি আংশিক ও ৩টি পুরোপুরি বিধ্বস্ত। এছাড়া গাছপালা পড়েছেও ব্যাপক। অতি বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৯শ ৩২ হেক্টর জমির ৩ হাজার ৫শ ৪২টি পুকুর/ মৎস্য ঘের ডুবে গেছে। তাতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৭০ লাখ ৮৬ হাজার টাকার। আর ১ হাজার ৩২ হেক্টর জমির ৩ হাজার ২শ ৩৭টি চিংড়ি ঘের তলিয়ে মাছ ভেসে গেছে। এতে ক্ষতি হয়েছে ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার। মৎস্য সেক্টরেই শুধু ক্ষতি হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকার। আর অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার। অপরদিকে জলাবদ্ধার শিকার হয়েছেন এ উপজেলার ৩ হাজার ৬৫০টি পরিবারের ১৪ হাজার ৪শ জন মানুষ।  মৎস্য খামারিরা জানান,তীব্র বৃষ্টি ও বাতাসে ঘেরের পাড় ধ্বসে পড়েছে ও ভেড়ি তলিয়ে গেছে। নেট-পাটা বাতাসে আলগা হয়ে বেশী ক্ষতি হয়েছে। মাঝ সিজিনে এসে এমন বৃষ্টি হওয়ায় মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন ঘের মালিক কাজী কামরুল ইসলাম ও তার সহোদর কাজী জামরুল ইসলাম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: কবীর হোসেন বলেন, দুর্গতদের স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে খাদ্যের পাশাপাশি সকল ধরণের সহায়তা প্রদাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তারপরও যাদের প্রয়োজন তারা ৩৩৩ নম্বর কল করলে আমরা খাবার পৌঁছে দেবো তাদের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers