সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
চুলকাটি প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাটিসহ আশেপাশের মহল্লার ভেতরে জমজমাট ইয়াবা গাঁজা জুয়া খেলা চালিয়া যাচ্ছে অবিরাম ভাবে পাইকারি খুচরা বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা গাঁজা এতে জড়িত রয়েছে এলাকার কিছু নামধারী মাদককারবারি ব্যবসায়ী গং নিজেদের ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে অবনতি হচ্ছে পড়াশুনার। চুলকাটি বাজার রেল রোড ও এলাকার পাড়া মহল্লায় সন্ধ্যা নামলে গাঁজার আসর বসে প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় দেদাচ্ছে চলছে মাদককারবারি ব্যবসা। ইয়াবা গাঁজা ব্যবসায়ীরা ধরাছোয়ার বাইরে। স্থানীয় ও ভাড়াটিয়া বাড়ি দোকান ভাড়া রেখে জমজমাট গাঁজা ব্যবসা অহরহ চালিয়ে যাচ্ছে। কয়েকজন নাম না প্রকাশে অইচ্ছুক চুলকাটি, রাখালগাছি, ভট্রকনকপুর, পোলেরহাট, সিএন্ডবি বাজারে প্রতিনিয়ত দোকানে বসে প্রশাসনের আড়ালে দিন ও রাতভর চলে গাঁজা বিক্রির মহলা, এমনকি ভায়াটিয়া ছেলে দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অবিরাম। মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও ধরাছোয়ার কোন পদক্ষেপ নেই। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে রমরমা ইয়াবা গাঁজার রাজ্য গড়ে উঠেছে। তাই এর প্রেক্ষিতে এসকল অপরাধমূলক কর্মকান্ড সাংবাদিক পত্রিকার প্রকাশ হলে দেওয়া হচ্ছে নানা রকম হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদানসহ নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে হচ্ছে গণমাধ্যককর্মীদের। স্থানীয়দের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা করি। মাদকদ্রব্য উদ্বারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ও মাদক মুক্ত দেশ ও আমাদের যুব সমাজকে মাদক থেকে বেরিয়ে আনার জন্য মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর হাসান এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সাংবাদিককে বলেন মাদক উদ্বারের ব্যাপারে পুলিশ সদা সচ্চার আছে এবং মাদক উদ্বারের সর্বসাধারণ ও জনগণের সহযোগিতা একান্ত কামনা করেছেন। সকল এলাকায় মাদকমুক্ত জিরো টলারেস ঘোষনা করেন। চুলকাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বিএম আলমগীর বলেন মাদক উদ্বারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদকের বিষয়ে কোন আপোষ নাই। তিনি আরও বলেন এলাকায় মাদকমুক্ত জিরো টলারেস এর এবিষয়ে সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন।
Leave a Reply