সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক চুলকাঠি পলাশ কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা বাগেরহাটে জেলা সমবায় ভূমির উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
রামপালে তীব্র লবনাক্ততার মধ্যেও বোরো’র ফলনে কৃষকের হাসি

রামপালে তীব্র লবনাক্ততার মধ্যেও বোরো’র ফলনে কৃষকের হাসি

মেহেদী হাসান, নিজস্ব প্রতিবেদক

উপকূলীয় উপজেলার রামপালে তীব্র লবনাক্ততার মধ্যেও বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি ও ভালো ফলন ঘরে তুলছে কৃষকরা। জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে এ এলাকার কৃষিতে পরিবর্তন আনায় বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কৃষকতার আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করেছে। রামপাল কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর বোরো’র আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। সেটি বেড়ে ৪ হাজার ৭০১ হেক্টরে দাড়িয়েছে। তীব্র দাবদাহ, লবনাক্ততার প্রভাব ও মিষ্টি পানির অভাবে হাজার হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। কৃষকদের লবন সহিষ্ণু জাতের উন্নত জাতের বীজ ধান, সার ও কৃষি উপকরণ এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করায় কৃষি খাত বেশ ঘুরে দাড়িয়েছে। এ বছর উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নে ৫৩৫ হেক্টর, উজলকুড় ইউনিয়নে ২ হাজার ৪১২ হেক্টর, বাইনতলা ইউনিয়নে ১ হাজার ৬ হেক্টর, রামপাল সদর ইউনিয়নে ৪৮২ হেক্টর, রাজনগর ইউনিয়নে ১০৮ হেক্টর, হুড়কা ইউনিয়নে ২৮ হেক্টর, পেড়িখালী ইউনিয়নে ৪২ হেক্টর, ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে ৯ হেক্টর, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে ৬৭ হেক্টর ও বাঁশতলী ইউনিয়নে ১২ হেক্টর জমিসহ মোট ৭ হাজার ৭০১ হেক্টর জমি আবাদের আওতায় আনা হয়েছিল। এতে প্রায় ২০ হাজার ৬৬১ মে. টান চাল উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত বছর আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৩৩৫ হেক্টর, আবাদ হয়েছিল ৪ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমি। চাল উৎপাদন হয়েছিল ১৮ হাজার ৪৩২ টান। গত ২০২০-২১ অর্থ বছরে আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর। আবাদ হয়েছিল ৪ হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমি। আর চাল উৎপাদন হয়েছিল ১৯ হাজার ৭২২ মে. টান। উপজেলার বড়দিয়া গ্রামের কৃষক মোন্তাজ মোল্লা, সিংগড়বুনিয়া গ্রামের কৃষক বাকিবিল্লাহ ও হুড়কা ইউনিয়নের পার্থর সাথে কথা হলে তার জানান, কৃষি অফিসের ম্যাডাম কৃষ্ণা রাণী মন্ডল আমাদের সময়মত বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ করার জন্য আমরা এবার ভালো ফসল পেয়েছি। আশা করি আগামীতেও কৃষি অফিস থেকে আমাদের মতো গরীব কৃষকদের এভাবে সার, বীজ দিলে আমরা কৃষিতে আরো ভালো ফসল ফলাতে পারবো।
রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রানী মন্ডল জানান, প্রতিনিয়ত জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে। মাটির লবনাক্ততার পাশাপাশি বাতাসেও লবণের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা কৃষকদের প্রশিক্ষণ, প্রণোদনার মাধ্যমে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ দিয়েছি। আমাদের কৃষকরা যাতে কৃষিতে আগের মত ফিরে দাড়াতে পারে, এ জন্য আমরা বাগেরহাট জেলার উপপরিচালক স্যার, মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ সার্বিকভাবে সহায়তা প্রদান করছেন। আশা করি কৃষিতে রামপালে আবারও বিপ্লব ঘটবে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers