শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
ডিবিসি নিউজ টিভি চ্যানেলে ইলেকশন এক্সপ্রেস নামে বাগেরহাট -৩ আসন নিয়ে একটি লাইভ অনুষ্ঠান হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ মো. আবু সাইদ। তিনি বার বার নির্বাচিত এমপি ও বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার কে নিয়ে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছন। তার এ মন্তব্যে আওয়ামী লীগের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন নেতৃবৃন্দ। তারা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এ এলাকায় ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করেছে। বিশেষ করে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক ও উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এ এলাকার মানুষের ভালোবাসা নিয়ে ব্যাপক উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। যা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। সাবেক ওই উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদের সমালোচনা করে বলেন, তিনি আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজের বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, টিউবওয়েল দেয়া কথা বলে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন, সরকার জায়গা দখল করা, জমির হাসির টাকা না দেয়া, মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট, কলেজ অধ্যক্ষকে মারপিট করে আহত এবং মেয়র, মন্ত্রীর সমালোচনা করা হয়েছে। তার দলীয় পদ স্থগিতসহ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দল থেকে অপসারণের দাবী জানান নেতৃবৃন্দ। অভিযোগের বিষয়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মো, আবু সাইদের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। আমি মন্ত্রী বা মেয়রগণদের নিয়ে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কোন সমালোচনা করিনি। কলেজের সামান্য কিছু টাকা আমার কাছে আছে। টিউবওয়েলের মাত্র ৪৫ হাজার টাকা আমার কাছে আছে। এটা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গাজী গিয়াস উদ্দিন ও জানেন। হারী ছাড়া কোন ঘের করিনা, কোন মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিটের ঘটনা সঠিক নয়। সরকারী খাস জমি আমি শিল্প কারখানা করার জন্য সরকারের কাছে বরাদ্দ চেয়েছি। বাড়ি করেছি নিজের টাকায়। এখানে টাকা আত্মসাৎ করে বাড়ি করতে হবে কেন ? প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ১০ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply