সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক চুলকাঠি পলাশ কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা বাগেরহাটে জেলা সমবায় ভূমির উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
১৬ বছর ধরে প্রতি শুক্রবার বউ সাজেন এই নারী, নেপথ্যে করুণ কাহিনি

১৬ বছর ধরে প্রতি শুক্রবার বউ সাজেন এই নারী, নেপথ্যে করুণ কাহিনি

প্রতিটা মানুষেরই কিছু না কিছু শখ থাকে। কেউ সাজতে ভালোবাসেন, কেউ গাইতে, কেউ গল্প করতে। তবে প্রতি শুক্রবার নববধূ হওয়ার এমন শখ হয়তো শোনা গিয়েছে বলে মনে হয় না। সপ্তাহের ওই এক দিনই পাকিস্তানের চার সন্তানের জননীর এই অদ্ভুত শখে হতবাক পড়শিরাও।

৪২ বছর বয়সী এই নারীর নাম হীরা জিশান। তিনি পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। এই নারী প্রতি শুক্রবার নববধূর বেশে সাজেন। পড়শিরাও তার এই আজব শখ নিয়ে নানা রকম আলোচনাও করেন। তবে কেন এই অদ্ভুত শখ হীরা জিশান? এর পিছনে এক করুণ কাহিনিও আছে।

দিনটি ছিল ২০০৫ সাল, তখন  হীরা জিশানের মা হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। মেয়েকে নিয়ে তার চিন্তার অন্ত ছিল না। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান। হীরার মায়ের ইচ্ছে ছিল মৃত্যুর আগে মেয়েকে নববধূর বেশে দেখে যাবেন। হাসপাতালেরই এক কর্মী হীরার মাকে রক্ত দিয়েছিলেন। মায়ের ইচ্ছে মতো সেই কর্মীকেই বিয়ে করেন হীরা।

১৬ বছর ধরে হীরা এ ভাবেই সেজে আসছেন প্রতি সপ্তাহে

১৬ বছর ধরে হীরা এ ভাবেই সেজে আসছেন প্রতি সপ্তাহে

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে খুব সাধারণ সাজেই বিয়ে হয়েছিল এবং এক কাপড়েই। আর চার-পাঁচটি বিয়ের মতো ধুমধাম করে নয়।’ বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই হীরার মায়ের মৃত্যু হয়। মাকে হারিয়ে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন হীরা।

এখানেই শেষ নয়। তার জন্য আরো চরম পরিস্থিতি যেন অপেক্ষা করছিল। পরবর্তী কয়েক বছরে ছয় সন্তানের মধ্যে দুই সন্তানকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন। অবসাদ গ্রাস করে তাকে। এই অবসাদ থেকে নিজেকে বার করে আনার জন্যই প্রতি শুক্রবার নববধূর বেশে নিজেকে সাজান। হীরার স্বামী লন্ডনে থাকেন।

তার কথায়, একাকিত্ব থেকে নিজেকে বার করে আনতে, অবসাদ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে, নিজেকে আনন্দ দিতেই এই ভাবে সাজেন। ১৬ বছর ধরে হীরা এ ভাবেই সেজে আসছেন প্রতি সপ্তাহে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers