সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
মোতাহার শেখ, নিজস্ব প্রতিবেদক
মহামারি শুরুর পর প্রথমবারের মতো দুই সপ্তাহের সফরে দেশের বাইরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দিতে শুক্রবার ঢাকা ছাড়বেন তিনি। এরই মধ্যে সফরের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার জন্য বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একটি সম্মেলন ডেকেছিলেন। ‘মেজর ইকোনমিজ ফোরাম অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লাইমেট’ শিরোনামের এই সম্মেলনে ধারণ করা ভাষণে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। উক্ত ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ফোরামের বিবেচনার জন্য ছয় দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।
প্রথম দফাঃ বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি (প্রাক শিল্পায়ন যুগের তুলনায়) দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখতে শিল্পোন্নত দেশগুলো কার্বন নিঃসরণ কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
দ্বিতীয় দফাঃ জলবায়ু তহবিলের জন্য উন্নত দেশগুলোর বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের অঙ্গীকার পূরণ করতে হবে এবং অভিযোজন ও প্রশমনের মধ্যে ৫০:৫০ অনুপাতের বিতরণ করতে হবে।
তৃতীয় দফাঃ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি সবচেয়ে কার্যকর জ্বালানি সমাধান নিয়ে এগিয়ে আসতে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
চতুর্থ দফাঃ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উত্তরণের ক্ষেত্রে, জাতি-রাষ্ট্রগুলোর সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন অগ্রাধিকারগুলো হিসেবে নেওয়া এবং তাদের কতটা লোকসান ও ক্ষতি হয়েছে সেগুলো বিবেচনা করা উচিত।
পঞ্চম দফাঃ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীর ভাঙন, বন্যা ও খরার কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের পুর্নবার্সনের দায়িত্ব সব দেশের ভাগ করে নেওয়া দরকার।
ষষ্ঠ এবং সর্বশেষ দফাঃ পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোকে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী সব অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করতে হবে।
Leave a Reply