সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক চুলকাঠি পলাশ কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা বাগেরহাটে জেলা সমবায় ভূমির উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
বড় আম ৫ কেজি সাইজের

বড় আম ৫ কেজি সাইজের

আম বড় সাইজের হতে পারে। কিন্তু সেটা কত বড় হতে পারে? আপনি দেশে এতদিন সবচেয়ে বড় আম দেখেছেন ফজলি। সেটিও হয়ত ১ কেজির বেশি বড় না। হয়তবা কোথাও এর চেয়ে বড় সাইজের ফজলি আমের গল্প শুনে থাকতে পারেন। তবে সেটা যতটা না ঘটনা, তার চেয়ে বেশি রটনা। কিন্তু আপনাদেরকে একটি আম সম্পর্কে এখন জানাবো। যেটির সাইজ ও দাম দুটোই অবাক করবে আপনাকে। ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক ধরনের আম পাওয়া যায় যা প্রায় ৩ কেজি সাইজের হয়। আগে ৫ কেজি সাইজেরও হয়েছে। এবার সাইজ কিছুটা ছোটো হলেও একটি আম বেচাকেনা হচ্ছে ১০০০ রুপিতে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২০০ টাকা!

ফলের রাজা যদি আম হয় তাহলে আমের রাজা এই আমকেই বলতে হবে। তবে ‘রাজা’ না বলে একে ‘রানি’ বলাই শ্রেয়। কারণ নাম তার ‘নুরজাহান’। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলবেন আবার। যদিও ‘ওজনে’ এই নুরজাহান কিন্তু রানি নুরজাহানকে টেক্কা দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ভারতের একমাত্র একটি রাজ্যেই এই আমের চাষ হয়। এর চাহিদা এতটাই যে, এক একটি আম বিক্রি হয় ৫০০ থেকে হাজার রুপিতে! বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২০০।কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা আনন্দ বাজার জানিয়েছে, গুজরাট সীমান্তের কাছে ইনদোর থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলা। এই জেলার কাট্টিওয়ারাতেই একমাত্র এই আমের চাষ হয়। কয়েকটিই মাত্র এই আমের গাছ রয়েছে সেখানে।

দলিল-দস্তাবেজ বলছে, ওই আমের উৎপত্তি আফগানিস্তানে। তবে কীভাবে আফগানিস্তান থেকে ভারতবর্ষে এসে পৌঁছাল এই গাছের প্রজাতি, তা পরিষ্কার নয়। তার এ রকম অদ্ভুত নামকরণের সঙ্গে সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।নুরজাহান আমচাষি শিবরাজ সিংহ জানিয়েছেন, ১৯৬৮ সালে এই আমের চারা গুজরাটে আনা হয়েছিল। তার বাবা ঠাকুর পি সিংহ গুজরাট থেকে ওই বছর চারাগাছ কিনে মধ্যপ্রদেশে আনেন। মধ্যপ্রদেশের কাট্টিওয়ারাতে তাদের বাগানে ওই চারাগাছগুলো পুঁতেছিলেন তিনি। সেগুলো আজো ফল দিয়ে চলেছে। তার বাগানে সাকুল্যে ৬টি নুরজাহান আম গাছ অবশিষ্ট রয়েছে। প্রতি বছরই তাতে ফল ধরে। তবে গত বছর আবহাওয়ার জন্য ফলন ভাল হয়নি বলে জানান তিনি। চলতি বছর এক একটি আম বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায়। আমের ওজন অনুযায়ী দাম নিয়েছেন তারা। শিবরাজের বাগানে চলতি বছর মোট ২৫০টি নুরজাহান আম ফলেছে। আম পাকার অনেক আগে সেগুলো গাছে থাকা অবস্থাতেই কিনে ফেলেছেন আম ভক্তেরা। এই আমের চাহিদা এমনই। হবে নাই বা কেন? এক একটা আমের ওজনই সদ্যোজাত মানবশিশুর সমান। শিবরাজের বাগানে যে আমগুলি ফলেছে, তাদের প্রত্যেকের ওজন ন্যূনতম ২ কিলোগ্রাম! এমনকি সাড়ে ৩ কিলো ওজনের আমও ফলেছে!এতেই অবাক হবেন না। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আগে একটি নুরজাহান আমের ওজন নাকি হত অন্তত ৫ কিলোগ্রাম। যা লম্বায় হত ১ ফুট পর্যন্ত! জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে নুরজাহানের চেহারায় অনেক বদল এসেছে। দৈর্ঘ্যও কমেছে, ওজনো কমেছে। কিন্তু আম ভক্তদের কাছে কদর এতটুকু কমেনি তার। মধ্যপ্রদেশ সরকার এই বিরল প্রজাতির আম গাছ সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এই বিরল প্রজাতির আমের জন্য পেটেন্ট-এর আবেদনও করেছে।

আনন্দ বাজার পত্রিকা থেকে সংগৃহীত

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers