শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান পলাশের মোটরসাইকেল গণসংযোগ রামপালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ৩ বছরের জোবায়ের, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা রামপালে জমি দখল চেষ্টা ও মামলা করে হায়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার মতবিনিময় সভাকে ঘিরে জেলা আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুর রহমানের ব্যাপক প্রস্তুতি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক
ঝুঁকি নিয়েই পদ্মা পাড়ি

ঝুঁকি নিয়েই পদ্মা পাড়ি

মুন্সিগঞ্জ: ‘সর্বাত্মক’ লকডাউনের শেষদিনে ও বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে সপ্তাহব্যাপী সারাদেশে লকডাউন জারিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ দূর-দূরান্ত থেকে পিকআপভ্যান, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারে করে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন।  লঞ্চ বন্ধ থাকায় ফেরি, ট্রলার ও স্পিডবোটে করে যাত্রীরা নদী পার হচ্ছেন।ঘাটে যাত্রীদের কোনো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বালাই নেই। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে হাজার হাজার যাত্রীদের নদী পার হতে দেখা গেছে।  মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিমুলিয়া ঘাটে এমন চিত্র দেখা যায়।শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী রিফাত হোসেন বাংলানিউজকে জানান, ঢাকার সাভারে একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করছিলাম। লকডাউনের কারণে মালিক বেতন বুঝিয়ে দিয়ে চাকরি থেকে বাদ দিয়েছেন। এখন স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বরিশাল চলে যাচ্ছি। বাধ্য হয়ে সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েই ট্রলারে যাচ্ছি।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক মো. সাহাদাত হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, হাজার হাজার যাত্রী ঘাটে চলে এসেছে। তাদের নদী পারাপারের জন্য ফেরি চালু করা হয়েছে। কিন্তু, লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে, লুকোচুরি করে কিছু স্পিডবোট চলছে। কিছু ট্রলারে করেও যাত্রী নদী পার হচ্ছেন। নৌপুলিশের জনবলের অভাবে এসব নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। তাই, কোস্টগার্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। কিন্তু, হাজার হাজার যাত্রী যখন ঘাট দিয়ে পার হচ্ছে তখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না।বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, সারাদিন শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করেছে ১৫টি ফেরি। তবে যাত্রীদের চাপে ফেরিগুলোতে যে পরিমাণ গাড়ি লোড করার কথা তা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers