সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক চুলকাঠি পলাশ কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা বাগেরহাটে জেলা সমবায় ভূমির উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
পুকুরে এখন সোনালী সাফল্য-রামপালে মাছ চাষে স্বনির্ভর অনেক পরিবার

পুকুরে এখন সোনালী সাফল্য-রামপালে মাছ চাষে স্বনির্ভর অনেক পরিবার

মেহেদী হাসান,রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা এখন মৎস্য উৎপাদনে এক সম্ভাবনাময় এলাকা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পুকুর, খাল-বিল ও ঘেরে মাছ চাষ করে অনেক পরিবার আজ স্বাবলম্বী। সরকারি সহযোগিতা, আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার এবং উপযুক্ত আবহাওয়া—সব মিলিয়ে এ অঞ্চলে মাছ চাষে এসেছে বিপ্লব। উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রামপালে ছোট-বড় প্রায় ৬ হাজারেরও বেশি পুকুরে মাছ চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চাষ করা হচ্ছে প্রায় ৩,২০০টি পুকুরে। স্থানীয়ভাবে রুই, কাতলা, মৃগেল, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ হচ্ছে। এছাড়া ছোট বড় প্রায় ১৮ হাজার ঘেরে গলদা ও বাগদা চিংড়ি চাষে হচ্ছে।
স্থানীয় মাছচাষি সালাম শেখ বলেন, “আগে কৃষিকাজের ওপর নির্ভর করতাম। এখন মাছ চাষ করে ভালো আয় হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরামর্শ দেন, ফলে উৎপাদনও বাড়ছে। আরেক চাষি রবিউল হোসেন জানান, “ঘেরে পোনা ছাড়ার পর থেকে নিয়মিত খাবার ও পানির মান ঠিক রাখলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। গত বছর ৫ বিঘা ঘের থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছি।” সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, রামপাল উপজেলার মাটি ও পানির প্রকৃতি মাছ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আমরা মাঠপর্যায়ে চাষিদের প্রশিক্ষণ ও রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সহায়তা দিচ্ছি। গত অর্থবছরে উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়েছে, যা জেলার মধ্যে অন্যতম।” স্থানীয়দের আশা, এভাবে যদি চাষাবাদ ও সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত থাকে, তবে রামপাল শুধু কৃষিতেই নয়—মৎস্য উৎপাদনেও এক সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক মডেল হয়ে উঠবে

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers