সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শেখ শিহাব উদ্দিনরুবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক
বাগেরহাটের ফকিরহাট আট্রাকী গ্রামের আঃ সালাম এর ছেলে মেহেদী হাসান প্রথম বিয়ে গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করে যৌতুকের দাবিতে অমানবিক নির্যাতন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। লিখত অভিযোগে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলেন
প্রায় ০৭ মাস আগে শায়লা খাতুনের পারিবারিক ভাবে ইসলামিক শীরয়ত মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, মেহেদী হাসানের এর পূর্বে একটি বিবাহ আছে মেহেদী তা কখনো শায়লাকে বা তার পিতা মোঃ মোস্তফা মল্লিকে জানায়নি তার বিয়ে সম্পর্কে, বিয়ের পর থেকে মেহেদী শায়লার সাথে খারাপ আচরণ শুরু করে, তরপর মেহেদীর ব্যবসার জন্য ১,০০,০০০ টাকা আনার জন্য শায়লার বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয় এবং টাকার জন্য খুব চাপ দিতে থাকে টাকা না আনতে না পারায় শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। শায়লা খাতুন গত ০৪ মাস আগে গর্রভধারন করিলে তার শাশুড়ী সালমা বেগম দুধের সাথে ওষুধ মিশিয়ে তাকে খাইয়ে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলে।অতঃপর স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হওয়াতে মেহেদীর পরিবার তাকে তার বাপের বাড়ি রেখে আসে, পরবর্তীতে সে খবর পায় মেহেদী তার প্রথম স্ত্রীর সাথে সংসার করতেছে, সে একটু সুস্থ হওয়ায় তার শশুর বাড়ি ফিরে যাওয় তার শশুর বাড়ির লোকজন তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়।গতকাল শনিবার স্ত্রী বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বললে স্বামী মেহেদী বলেন কোথায় আছিস বল,জবাবে স্ত্রী বলে খালা বাড়িতে কথা মতো মেহেদী বেলা ১২ টার সময় তার সাথে দেখা করে বলে এক লক্ষ টাকা এনে দিতে বলেছিলাম তোর বাপের বাড়ি থেকে যতক্ষণ না আনবি তোকে বাড়ি নিবো না।তখন স্ত্রী বলে আমার বাবা গরীব মানুষ কিভাবে টাকা দিয়ে, একথা বলার পরে মেহেদী তাকে মারপিট শুরু করে এক পযার্য়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফকিরহাট মডেল থানায় নিয়ে যায়, সেখানে চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী ফকিরহাট মডেল থানায় স্বামী মেহেদীর নামে ফকিরহাট মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
উল্লেখ্য মেহেদী দীর্ঘদিন ধরে তার প্রথম স্ত্রীকেও নির্যাতন করে তার পেটের বাচ্চাকে মেরে ফেলে তাকেও তাড়িয়ে দিয়েছে। যার ফলে প্রথম স্ত্রী ও বাগেরহাট কোর্টে মামলা দায়ের করেছে যেটা এখনও চলমান। এ বিষয়ে মেহেদীর এবং তার পিতা সালাম এর কাছে জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের বলেন আমরা অন্যয় করবো তাতে কি হয়েছে আপনারা আছেন না আপনারা ঠেকাবেন কোন সমস্যা হলে। এক পযার্য়ে তারা বলেন আমাদের উপর মহলে বড় বড় লোক রয়েছে মেয়ে পক্ষ কিছু করতে পারবে না।
এলাকায় লোকজন বলেন মেহেদী এবং তার পিতা সালাম একের পর এক অপরাধ করে আসছে।অনেক মেয়ের সর্বনাশ করেছে তারা।তাই অতি দ্রুত এদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক। তাহলে একদিকে ভুক্তভোগী পরিবার পাবে তাদের ন্যায্য বিচার, অপরদিকে সমাজ হবে কলঙ্ক মুক্ত।
Leave a Reply