সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
পি কে অলোক,নিজস্ব প্রতিবেদক
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল চারটি পিচ ঢালা রাস্তার পিচ কার্পেটিং উঠে তা ধুলাবালুতে মিশে এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় পথচারি ও জনগনের সিমাহীন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্থানীয় পথচারি ও জনগন রাস্তা গুলি পুন সংস্কার বা মেরামতের জোর দাবী করলেও অদ্যবদী তা মেরামত করা সম্ভাব হয়ে উঠছে না। ফলে ভাঙ্গাচুরা রাস্তা দিয়ে পথচারি ও জনগন চলাচল করতে এক প্রকার বাধ্য হচ্ছে। জানা গেছে,উপজেলা গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল চারটি পিচ ঢালা রাস্তার পিচ কার্পেটিং উঠে তা এখন ধুলাবালুতে মিশে একাকার হয়ে তা দিয়ে চলাচল
করা অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তা গুলি হচ্ছে, লখপুর বাজার হতে জলছত্র বটতলা হয়ে ভবনা ক্লাব মোড় ঘুরে ধনপোতা বীজ, পিলজংগ কাঠালতলা মোড় হতে মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার, পিলজংগ সাধুর সাধের বটতলা হতে গাবখালী বাজার হয়ে বাহিরদিয়া ও গাবাখালী বাজার হতে লালচন্দ্রপুর হয়ে পালেরহাট পর্যন্ত। এই সমস্ত রাস্তা গুলির অধিকাংশ স্থানে পিচ বা কার্পেটিং উঠে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে,যে চলাচল করা প্রায় অসম্বব হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন,লখপুর বাজার হতে জলছত্র বটতলা হয়ে ভবনা ক্লাব মোড় ঘুরে ধনপোতা বীজ পর্যন্ত যে রাস্তাটি চলে গেছে, সেই রাস্তাটির বেশ কয়েকটি স্থানে বড়বড় গর্ত ও কার্পেটিং উঠে গেছে, পিলজংগ কাঠালতলা মোড় হতে মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার পর্যন্ত রাস্তাটির কেনো মোড় সহ কয়েকটি স্থানে, পিলজংগ সাধুর সাধের বটতলা হতে গাবখালী বাজার হয়ে বাহিরদিয়া পর্যন্ত রাস্তাটির ফকির বাড়ীর বাগান, গাবখালী বাজার বড়পুকুর পাড় হতে সাতবাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গাবাখালী বাজার হতে লালচন্দ্রপুর হয়ে পালেরহাট পর্যন্ত রাস্তাটির অধিকাংশ স্থানে ভেঙ্গে চুরে একাকার হয়ে পড়েছে। এই সমস্ত রাস্তা দিয়ে রাত্রিকালিন সময়ে অন্ধকারে চলাচল করার সময় অনেকে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে। কোন কোন স্থানে পিচ বা কার্পেটিং উঠে বড়বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় অনেকে জীবনের ঝুকি নিয়ে উক্ত রাস্তা গুলি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে চরম বিপদে পড়তে হচ্ছে। স্থানীয় পথচারি ও জনগন রাস্তা গুলি পুন সংস্কার বা মেরামতের জোর দাবী করলেও অদ্যবদী তা করা সম্ভাব হয়ে উঠছে না। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অধিকাংশ পথচারি ও যাত্রীরা চালাচল অব্যহত রেখেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকতার্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসি।
Leave a Reply