শেখ আসাদুজ্জামান, নিজস্ব প্রতিবেদক
মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবর (২১ ফেব্রুযারী) সকাল ১১ টার সময় মোংলা বন্দর পরিদর্শন শেষে মোংলা বন্দর কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, আমরা আমাদের দেশের মোংলা বন্দর ও পায়রা বন্দর টাও কার্যকর করতে চাচ্ছি। সবকিছুতেই দেশের স্বার্থে বিবেচনা করে যেখানে যা সম্ভব এবং প্রয়োজনে তাই করতে চাচ্ছে আমাদের সরকার এবং সেজন্য আমার আসা এবং সরকারের হয়ে দেশের হয়ে ফাংশন করানোর চেষ্টা করা, আমরা মোংলা বন্দরের সার্ভিসটাকে যদি আরও ভালো করতে পারি, তখন তো দেখবেন যে এটা আরও বেশি কার্যকর হচ্ছে। নিশ্চয়ই মোংলা বন্দরের বা বাগেরহাটবাসী যারা আছেন তাদের দাবিও আছে। তারা চালায় অঞ্চলে একটা কামচঞ্চলতা ফিরে আসুক, অর্থনীতি চাঙ্গা হোক, যোগাযোগ খাত, নৌ পরিবহন খাত, বন্দর সবগুলি ফাংশন করুক, কর্মসংস্থান বাড়ুক। এটা তো আপনাদের চাওয়া। এটা শুধু আপনাদের চাওয়া না, এটা দেশের চাওয়া। বাগেরহাট বা এই অঞ্চল উন্নত হলে তো দেশ উন্নত হয়। তো কেন সেখানে অনীহা থাকবে? নিশ্চয়ই সরকার নির্দিষ্ট থাকবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্ন! রেল লাইন সংকুচিত করা হয়েছে স্যার, একটি রেল মাত্র চলছে এখানে, রেল গাড়ি বাড়ানো হবে কি? জবাবে মন্ত্রী বলেন রেল লাইনটা হয়েছে কিন্তু সাপিসিয়েন্ট ইঞ্জিন অথবা সাপিসিয়েন্ট কোচ এখনো পর্যন্ত যুক্ত হয়নি। সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে কিভাবে আনা যায় সেটা আমাদের চেষ্টায় আছে। এখানে এটা জরাজীর্ণতা ছিল, সেটা হচ্ছে রেল লাইন মেরামতের টেন্ডার একসময় হচ্ছে, ইঞ্জিন আনার টেন্ডার একসময় হচ্ছে, আমরা আগামীতে যে সমস্ত যোগাযোগ করব, রেল লাইনে কয়দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হবে সেটা যেমন জানবো তার মধ্যেই ইঞ্জিন এবং কোচে রেল লাইন হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে যাতে লাইনটা চালু করে দেওয়া যায়। মানে ট্রেন যোগাযোগ শুরু করে দেওয়া যায় সেটা বিবেচনায় রেখে পরবর্তীতে কার্যকর হবে। এখন এখানে পর্যাপ্ত কোচ এবং আপনার ইঞ্জিন নাই। আমি জেনেছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এনে একাধিক ট্রেন এখানে চালু করার ব্যবস্থা করা হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্ন? সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন স্যার! এই মোংলা নদী দিয়ে প্রতিদিন পঞ্চাশ হাজার লোক পারাপার করে, যারা গার্মেন্টস কর্মী জ ইপিজেড এবং মোংলা বন্দরের শ্রমিক তারা। এবং ঝুঁকিপূর্ণ নদী পারাপার করেন এবং এখানে দুর্ঘটনায় মানুষ মারাও যায়। বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিন এক্সিডেন্ট হয়ে মারা যায়। মোংলা নদীতে একটা সেতু করার পরিকল্পনা আছে কিনা? জবাবে মন্ত্রী বলেন প্রয়োজন আছে অবশ্যই তার পরিকল্পনাও থাকবে। আমি বলতে চাই, যা প্রয়োজন আছে তা করাই আমাদের কাজ। অবশ্যই আপনি যেহেতু বলেছেন এটা অগ্রাধীকার। মোংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জানতে চান? আমাদের মোংলা নদী পারাপারে পর্যাপ্ত ঘাট নেই। সেটা আইডব্লিউটি অবজেকশন দিয়ে ঘাট তৈরি বন্ধ করে রেখেছে। পৌরসভার যে ঘাটটা ছিল, সেই ঘাটটার নির্মাণ বন্ধ করে রাখছে। সেটার ব্যাপারে কিছু পৌরসভার যে ঘাটটা ছিল সেটা স্যার বন্ধ করে রাখছে। আইডব্লিউটি এ ঘাট নির্মাণ করতে দিচ্ছে না। বলতে গেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকজন পারাপার হয়। আইডব্লিউটিএ ঘাট নির্মাণ বন্ধ করে দিয়ে রাখছে পৌরসভা। কেন বন্ধ করলো সাধারণ জণগণ জানতে চায় তিনি বলেন আপনি প্রয়োজন আমার মোবাইল নং রেখে দেন যোগাযোগ করবেন।
Leave a Reply