শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
ভর্তি চলিতেছ রৌফন রেডিয়ান্ট স্কুলে প্লে গ্রুপ থেকে শুরু। চুলকাটি বাজার, (রুটস বাংলাদেশ) বনিকপাড়া রোড, বাগেরহাট।
সংবাদ শিরোনাম :
রামপালে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন  বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন পশুর চ্যানেলে তলা ফেটে দুর্ঘটনাকবলীত কার্গো জাহাজটি এখও ঝুকি মুক্ত নয়, চলছে কয়লা অপসারণ মোংলায় কয়লা নিয়ে পশুর নদীতে কার্গো ডুবি, ১১ নাবিক জীবিত উদ্ধার মোংলা বন্দরের সিবিএ’র কর্মচারী সঘের সাবেক সাঃ সম্পাদক এস এম ফিরোজ সহ ৩ জনের সদস্য পদ বাতিল ফকিরহাটের মাসকাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের। মাদারদিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা  মোংলা বন্দর ও উপকুলীয় এলাকায় হঠাৎ বৃষ্টি কেএমপি’র মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি ৮ জন আটক চোরাকারবারি চক্রের মূলহোতাকে আটক করেছে মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন
খুলনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাবেক চেয়ারম্যান শীর্ষ সন্ত্রাসী মিনা কামাল নিহত

খুলনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাবেক চেয়ারম্যান শীর্ষ সন্ত্রাসী মিনা কামাল নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট: খুলনা রূপসার নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শীর্ষ সন্ত্রাসী মোস্তফা কামাল ওরফে মিনা কামাল (৫২) র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে বাগেরহাটের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে পুটিমারী গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, ম্যাগজিন, গুলি, ধারালো চাকু, ৬৬ হাজার টাকা ও ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে।

খুলনা র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রওশনুল ফিরোজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ওই স্থানে অভিযান চালালে মিনা কামালের সহযোগিরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় পাল্টা গুলি চালালে ক্রসফায়ারে মিনা কামাল গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে রামপাল থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, তার বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, ডাকাতিসহ ২৫টির বেশি মামলা রয়েছে। জেলা পুলিশের শীর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর তালিকায় রয়েছে তার নাম। তিনি নিজেকে ফাটাকেষ্ট বলে পরিচয় দিতেন। নিজ বাড়িতে বিচারালয়ের নামে কামাল বসিয়েছিল টর্চার সেল। সেখানে বিচার-সালিসের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে চালানো হতো অবর্ণনীয় শারীরিক-মানসিক নির্যাতন। বিচারের নামে হাতুড়িপেটা করে হাত-পা ও পাঁজরের হাড় ভেঙে দেওয়া হতো।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১০ বছরে তার বাহিনীর হাতে দুই শতাধিক মানুষ নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। খুন হয়েছেন ৯ জন। ভয়ে-আতঙ্কে সহায়-সম্বল রেখে পরিবার নিয়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছে কয়েক শ পরিবার। মিনা কামালের সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছে জিম্মি রূপসার ৫০ হাজার মানুষ।

দখল, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদক বাণিজ্য করে গড়ে তুলেছেন বিপুল অবৈধ সম্পদ।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

  1. © স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২১, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers