মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ

আমাদের চুলকাঠি ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন chulkati24@gmail.com এই ই-মেইলে ।

শিরোনাম :
মাছ চুরি করতে গিয়ে ধরা খেলেন কলেজ শিক্ষক

মাছ চুরি করতে গিয়ে ধরা খেলেন কলেজ শিক্ষক

মোঃ শহিদুল ইসলাম,বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটে একটি ঘের থেকে গভীর রাতে মাছ চুরি করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পরেছেন চিরুলিয়া বিষ্ণপুর স্কুল এ্যান্ড কলেজের সহকারি শিক্ষক স্বরজ কুমার পাল (৪৮)। শুক্রবার রাত ৩ টার দিকে সদর উপজেলার রাধাভল্লব গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ঘেরে মাছ চুরির সময় জাহাঙ্গীরের ছেলে জাল ও মাছসহ স্বরজ কুমারকে ধরে ফেলে।

পরে জাহাঙ্গিরের ছেলে রেজওয়ানের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা চলে আসেন।স্বরজের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন শালিস বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসার কথা বলেন।এসময় স্বরজ পালও অচমকা দৌড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু হাতে নাতে ধরা খাওয়া এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে বাগেরহাট সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছে ঘের মালিক জাহাঙ্গির হোসেন।

ঘের মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বেশকিছুদিন ধরে খেয়াল করতে ছিলাম ঘের থেকে কেউ মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু ধরতে পারিনা। শুক্রবার রাতে ছেলে গাছে উঠে পাহারা দেয়। রাত তিনটার দিকে দেখে দুইজন লোক ঘেরে মাছ ধরছে। এসময় আমার ছেলে রেজওয়ান ও তার বন্ধুরা মিলে হাতে নাতে ধরে ফেলে স্বরজ পালকে। আর অন্যজন মাছ নিয়ে পালিয়ে যান। এরপর আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে স্থানীয় পর্যায়ে মিটিয়ে ফেলার অনুরোধ করে। এর আগে স্বরজ পাল ও তার ভাই আমার ঘের থেকে মাছ ধরে নিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহফুজুর রহমান বলেণ, চুরির বিষয়টি আমরা জেনেছি। স্বরজ পাল সম্মানিত মানুষ। আমরা চেষ্টা করছি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার।
কাড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ বশিরুল ইসলাম বলেণ, শিক্ষক স্বরজ পালের মাছ চুরি নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখছি।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহতাব উদ্দিন বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers