শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ

আমাদের চুলকাঠি ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন chulkati24@gmail.com এই ই-মেইলে ।

বাগেরহাটে বাধ নির্মানে অধিগ্রহনকৃত জমি ও ঘরের ক্ষতিপূরন না পাওয়ার অভিযোগ

বাগেরহাটে বাধ নির্মানে অধিগ্রহনকৃত জমি ও ঘরের ক্ষতিপূরন না পাওয়ার অভিযোগ

মোল্লা আব্দুর রব,(বাগেরহাট অফিস)
বাগেরহাটে বাধ নির্মানে অধিকরনকৃত জমি ও ঘরের ক্ষতিপূরন না পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।উপকুলীয় বাধ উন্নয়ন প্রকল্প ফেজ-১,সি.আই.পি-১ প্রকল্পের আওতায় পোল্ডার-৩৫/৩ এর ১৪৭ নং বড়বাশঁবাড়িয়া মৌজায় ১.৩১ শতক ৬ বেন্ডের সুইজ গেট অধিগ্রহনকৃত সম্পত্তি জমিতে ঘর বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেও কোন সুরাহা করতে পারেনি।ভুক্তভোগীদের দেওয়া অভিযোগে জানা যায়,সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড়বাশবাড়িয়া গ্রামের মৃতঃ রফেজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মোঃ আলি আকবর স্থানীয় আলম শেখের জায়গায় ঘর তৈরী করে বসবাসসহ ৩৫/৩ পোল্ডারের বড়বাশবাড়িয়া মৌজায় পানি নিস্কাশনের কাজ করতাম।৬ অক্টোবর উক্ত সম্পত্তি অধিগ্রহন করা হয় আমি ১৯ অক্টোবর অফিসে খোজ নিয়ে জানতে পারি অধিগ্রহনে আমার নাম নাই।এ বিষয়ে অফিসের সদস্য সচীব,টিম লিডার,ডেপুটি টিম লিডারসহ বক্কার ,ফেরদাউস সাহেব আমাদের কাছে অগ্রিম উৎকোস দাবী করে। আমরা তাদেও ওই টাকা দিতে না পারায় আমাদের জানায় আপনাদের ঘর নতুন আপনারা ক্ষতি পুরন পাবেন না বলে সাফ জানিয়েদেন।আমি বলেছি আমার ঘরের ভিডিও রেকর্ড আছে ভিডিও দেখে প্রমান করুন আমার ঘর নুতুন না পুরাতন।আমি জেলা প্রশাসক বরাবার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সুপারিশকৃত দরখাস্ত জমা প্রদান করছিলাম।এছাড়া বড় বাশবাড়িয়া গ্রামের মৃত রফিজ উদ্দিন হাওলাদার ছেলে আলি আজিম হাওলাদার বড় বাশঁ বাড়িয়া মৌজায় ৩৫/৩ পোল্টারের দেড় একর জমি এ্যাকওয়ার করে সুইজগেট নির্মান করা হয় তার মধ্যে আমার একটি পোল্টি ফার্ম রয়েছে।আশপাশের সব ঘর ক্ষতি পূরনের আওতায় আনা হলেও আমাকে আনা হয়নি।তিনি জানান আমার জমি জমা না থাকায় ভাইয়ের জায়গায় ফার্ম করে জীবিকা নির্বাহ করি।তিনি মূরগী ফার্মের ক্ষতিপূরনের দাবি জানিয়ে য়েছেন জেলা প্রশাসক বরাবর।এদিকে শুকুর হাওলাদারের স্ত্রী লিলি বেগম তার অভিযোগে জানান,যারা স্যারদের বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে তুষ্ট করতে পেরেছে শুধু তারাই জায়গার ক্ষতি পুরন পেয়েছে।আমি তাদেরকে উৎকোস দিতে না পারায় আমি ঘরের ক্ষতি পুরন পাচ্ছিনা।আমি আমার সন্তানদের নিয়ে এখন কাথায় দারাবো,আমি গরিব টাকা নেই এটাই কি আমার অপরাধ।তিনি তদন্ত পুর্বক তার ক্ষতি পুরনের জন্য জেলা প্রশাসকসহ উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন।এবিষয়ে জানতে চাইলে ফেরদাউস হোসেন আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন,আমরা শুধু সড়েজমিনে তদন্ত ও ভিডিও করে জেলা প্রশাসক স্যারের দপ্তরে জমা দিই।তবে জেলা প্রশাসক স্যারের দপ্তর থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের চেক প্রদান করেন।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২১, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers