বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
ভর্তি চলিতেছ রৌফন রেডিয়ান্ট স্কুলে প্লে গ্রুপ থেকে শুরু। চুলকাটি বাজার, (রুটস বাংলাদেশ) বনিকপাড়া রোড, বাগেরহাট।
সংবাদ শিরোনাম :
নয়ন স্মৃতি নাইট শর্ট ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সৈয়দপুর চ্যাম্পিয়ন আত্মসমর্পণকারী দস্যুরা পেল র‌্যাবের ঈদ উপহার বাগেরহাটে দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন শেখ তন্ময় এমপি বুয়েটে ছাত্র রাজনীতির দাবিতে মোংলায় মানববন্ধন বর্ণাঢ্য আয়োজনে রামপালে জাতীয় ভোটার দিবস পালন রামপালে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন  বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা  প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন পশুর চ্যানেলে তলা ফেটে দুর্ঘটনাকবলীত কার্গো জাহাজটি এখও ঝুকি মুক্ত নয়, চলছে কয়লা অপসারণ মোংলায় কয়লা নিয়ে পশুর নদীতে কার্গো ডুবি, ১১ নাবিক জীবিত উদ্ধার মোংলা বন্দরের সিবিএ’র কর্মচারী সঘের সাবেক সাঃ সম্পাদক এস এম ফিরোজ সহ ৩ জনের সদস্য পদ বাতিল
বাগেরহাটের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর রসের ঐতিহ্য

বাগেরহাটের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর রসের ঐতিহ্য

পি কে অলোক,ফকিরহাট
বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল হতে হারিয়ে যাচ্ছে খেজুর রসের ঐতিহ্য। আর সেই সাথে বিলুপ্ত হতে বসেছে খেজুর গাছও। এই খেজুর রস ও গাছের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারী ভাবে যেমন তালের বীজ ও চারা রোপনের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়, তেমনী খেজুর গাছের বীজ ও চারা রোপনের উদ্যোগ গ্রহন করা জরুরী হয়ে পড়েছে।
জানা যায়, বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া, পিলজংগ, বেতাগা, বাহিরদিয়া, নলধা, মুলঘর, রামপালের সোনাতুনিয়া, গোবিন্দপুর, চুলকাটি ও তার পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় এক সময় বাংলার ঐতিহ্যের অহংকার ছিল এই খেজুর গাছ। সেই সময় এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো। তখন মাছ-ভাতের বাইরে ছিল এ অঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন সখ ও উৎসবের বাহার। শীতের কনকনে ঠান্ডার খেজুরের রস ও রসের পিঠা ছিল ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। এ সময় রস সংগ্রহ, রস থেকে মিঠা তৈরি , আর রস চুরির মতো কতো না কান্ড। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিরা এখনও বলে থাকেন, এইতো এসব সেই দিনের কথা। কালের বিবর্তনে ব্যস্তায় যেন মানুষের অনেক প্রয়োজন ফুরিয়ে যাচ্ছে। ৮/১০ বছর আগে এ সময় গ্রামে গ্রামে যে সব ব্যস্ততা ছিল, এখন তার কিছুই চোখে পড়ছে না। নেই প্রত্যান্ত গ্রামে রস সংগ্রহের উৎসব। নেই রস থেকে গুড় তৈরির ব্যস্ততা। সেই সাথে হারিয়ে গেছে খেজুর গাছও। অনেক গ্রামে এখন খেজুর গাছ খুজে পাওয়াও দুরুহ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। এই সময়ে গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে রসের পিঠা উৎসব চলতো। কিন্ত এখন তার কিছুই চোখে পড়ে না। কথা হয় এলাকার বিভিন্ন প্রবীণ ব্যক্তির সাথে। তারা অত্যন্ত দু:খের সাথে বলেন, এখন সবাই ব্যস্ত। গাছ নেই, গাছি নেই। যাদের খেজুর রসের সখ আছে , তারাও পাচ্ছে না। যাদের সামর্থ আছে অধিক টাকা দিয়ে অন্য জায়গা থেকে মনের আশা মেটাচ্ছেন। কারণে-অকারণে কেটে ফেলা হচ্ছে খেজুর গাছ। তাছাড়া এক সময়ে ইট ভাটার জন্য ব্যাপক হারে এলাকা থেকে খেজুর গাছ কাটা হয়েছে। এখনো কৃষি জমি বা রাস্তার পাশে খেজুর গাছকে অপ্রয়োজনীয় ভাবা হয়। আগের মত এখন আর গাছে খেজুর পাকে না। তাই নতুন গাছও আর হচ্ছে না। সচেতন মহলের দাবী, কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় খেজুর গাছ রোপনে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হলে ফিরে আসতে পারে সেই হারানো ঐতিহ্য।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

  1. © স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২১, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers