Warning: Use of undefined constant jquery - assumed 'jquery' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home4/chulkati24bd/public_html/wp-content/themes/NewsDemo7Theme/functions.php on line 28

রবিবার, ০৭ অগাস্ট ২০২২, ১০:০০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
চুলকাঠি ২৪  ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।আমাদের চুলকাঠি ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন chulkati24@gmail.com এই ই-মেইলে।    
শিরোনাম :
জাপান থেকে গাড়ি ভর্তি জাহাজ আসল মোংলা বন্দরে পাঠশালা বিদ্যালয়ের অপসারিত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে পদ গ্রহণের অভিযোগ আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবসে বাগেরহাটে আলোচনা সভা বাগেরহাটে পিটিয়ে হোটেল মালিকের হাত ভেঙ্গে দিলো ভোক্তা ফকিরহাটের শুভদিয়ায় প্রধান শিক্ষক লাঞ্চিত: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ফকিরহাটে করোনা সহিষ্ণু খাদ্যাভ্যাস গঠনে চাষাবাদ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ: বীজ ও চারা বিতরণ ফকিরহাটে নারীর স্বর্ণেরচেইন ছিনতাই: জনমনে আতংক ফকিরহাটে নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগে আটক: মামলা দায়ের রামপাল সঃ কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের  বিরুদ্ধে অর্ধ কোটি টাকার অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নাড়েনি কর্তৃপক্ষের  ফকিরহাটে পুলিশের হাতে বিপুল পরিমানে মাদকসহ কারবারি আটক
আজ সুন্দরবন দিবস: লাল গোলাপ কিনুন ভয়ঙ্কর সুন্দরী প্রহরীর জন্য

আজ সুন্দরবন দিবস: লাল গোলাপ কিনুন ভয়ঙ্কর সুন্দরী প্রহরীর জন্য

চুলকাঠি ডেস্ক : সাগর দানবের ভ্রুকুটিল চোখ নেমে যায় সুন্দরী পাহারাদারের সামনে। কোমর ঝুঁকিয়ে নজরানা দিতে হয় বনবিবির বাহন বড় মিঞাকে। ততক্ষণে সুন্দরীর মায়াজালের নাগপাশে আটকে পড়েছে ঘূর্নি দানব। এই দানব সিডার,আয়লা,আমফান, কতরকম নামে রূপে এসেছে, ভবিষ্যতে আরও আসবে-কিন্তু কুহকিনী পাহারাদার থেকে নিষ্কৃতি নেই। ১৪ ফেব্রুয়ারি, লাল গোলাপ কিনুন এই সুন্দরীর জন্য- আজ ‘সুন্দরবন দিবস’ পালন করছেন বাংলাদেশের পরিবেশকর্মীরা।বাংলাদেশে সুন্দরবন দিবস পালন হলেও ১৪ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের দিকে দিনটি প্রায় অনালোচিত থাকে। তবে সুন্দরবনকে ভালোবাসো, যত্ন করো, রক্ষা করো এই দাবি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চ ২০০৩ সাল থেকে ২১ আগস্ট সুন্দরবন দিবস হিসাবে পালন করে আসছে।দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অক্সিজেন ভাণ্ডার। বিরাট বনাঞ্চলের টাটকা হাওয়ার প্রথম অংশীদার লক্ষ লক্ষ বাঙালি,যাদের কথ্যভাষায় ‘সুন্দরবন’ বিশ্বের চমক। ডোরাকাটা বাঘ, ময়াল, হরিণ, মাছ, মধু, বনজ সম্পদের বিরাট এই ভাণ্ডারের পাহারাদার ‘বড় মিঞা’ বা ‘দক্ষিণ রায়’ আর বিশ্বের কাছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার।

কুড়ি বছর আগের কথা। ২০০১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনের বৃহত্তম অংশীদার বাংলাদেশ থেকে উঠে এসেছিল এমন আওয়াজ-রক্ষা করো এই আদিম প্রহরী কে। বহু গবেষক বারবার যে দাবি করেছেন, সেটাই আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপান্তর ও পরশ-এর উদ্যোগে প্রথম জাতীয় সুন্দরবন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলন থেকেই ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘সুন্দরবন দিবস’ ঘোষণা করা হয়।একনজরে সুন্দরবন: বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ রয়েছে ভারতের মধ্যে-পুরোটাই পশ্চিমবঙ্গে।এই বনভূমি না থাকলে যে কোনও একটা ছোটখাটো সামুদ্রিক ঘূর্ণির ছেঁয়ায় পশ্চিমবঙ্গের তিনটি জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা আর বাংলাদেশের তিনটি জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটে মৃত্যুর মিছিল নিশ্চিত। সীমান্তের এপার বা ওপার লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ষাকারী সুন্দরবন। ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে এই বনাঞ্চল।বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে সেদেশের দিকে থাকা সুন্দরবনের অংশে গত ১৯ বছরে ৩১ বার আগুন লেগেছে। পুড়েছে প্রায় ১০০ একর বনভূমি। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা।
এর পাশাপাশি বিতর্কের কারণ বাংলাদেশের রামপালে বিদ্যুৎ প্রকল্প। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মীয়মান রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি হলে পরিবেশের বিরাট ক্ষতি তেমনই দাবি পরিবেশবিদদের। কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার কারণে রামপাল প্রকল্প পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে এবং নিকটবর্তী সুন্দরবনে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ডেকে আনবে। এই যুক্তি দিয়ে বাংলাদেশে পরিবেশবাদী বহু সংগঠনই এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের তীব্র বিরোধিতা করছে। প্রকল্পটির কেন্দ্র সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাট জেলা। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, ২০২১ সালের শেষ দিকেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র উপাদন শুরু হবে।সুন্দরবন বাঁচাও’ আন্দোলন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল বারবার সরব। এর ফলে সুন্দরবন রক্ষায় আন্দোলন নতুন মোড় নেবে বলেই মনে করছেন পরিবেশবিদরা। তবে বাংলাদেশ সরকার জানায়, বিদ্যুৎ প্রকল্পটি পরিবেশের ক্ষতি করবেনা। তেমনই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা প্রকৃতির রক্ষাকবচে চোরাকারবারির দাপট কম না। বন্যপ্রাণ ক্ষতিগ্রস্থ। এখানকার বাস্তুতন্ত্রে লাগছে আঘাত। পরিবেশবিদদের আশঙ্কা,এই অক্সিজেন ভাণ্ডারকে রক্ষা না করলে প্রাচীন সভ্যতার মতো খণ্ডহরের গ্রাস আসবেই।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি