মঙ্গলবার, ০৬ জুন ২০২৩, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মোংলা বন্দর দিয়ে বাড়ছে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বাগেরহাটে র‌্যালী ও আলোচনা সভা রামপালে মৎস্যঘের দখল করে লুটপাটের অভিযোগ রামপালে ভয়াবহ  অগ্নিকান্ডে ২ কোটি টাকার ক্ষতি  ফায়ারসার্বিসের ৩ কর্মী  আহত রামপালে জমির বিরোধে হামলায় আহত-৫ আটক-২ মোংলায় বাপা’র মানববন্ধনে বক্তারা সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করতে হবে ফকিরহাট সনাতন জাগরণী সংঘের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ফকিরহাটের বেতাগা বঙ্গবন্ধু পল্লী-০৩ এর ৮৩টি পরিবারের মাঝে বীজ সার বিতরণ ভারতের রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে সেভ দ্য রোডের শোক রামপালে পুলিশের অভিযানে চোরাই নছিমনসহ চোর আটক
দৃশ্যমান হলো প্রায় ৫ কিলোমিটার স্বপ্নের পদ্মা সেতু

দৃশ্যমান হলো প্রায় ৫ কিলোমিটার স্বপ্নের পদ্মা সেতু

চুলকাঠি ডেস্ক : মহামারি করোনার মধ্য যখন থমকে আছে সব কিছু তখনও থেমে নেই পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ। রোববার (১১ অক্টোবর) বহুমুখী সেতুটির ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটির ওপর স্থাপন করা হয়েছে ৩২তম স্প্যান। ৩১তম স্প্যান বসানোর ৪ মাস পর এই স্প্যানটি বসানো হলো। এটি বসানোর পর মূল সেতুর অবকাঠামোর দৈর্ঘ্য দাঁড়াল ৪ হাজার ৮০০ মিটার বা প্রায় ৫ কিলোমিটার।

গত আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ৫টি স্প্যান খুঁটির ওপর বসানোর লক্ষ্য ছিল। তবে মাওয়া প্রান্তের মূল পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোত থাকায় একটি স্প্যানও বসানো সম্ভব হয়নি। এখন পদ্মায় বন্যার পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্রোতের তীব্রতাও স্বাভাবিক গতিতে ফিরেছে। ফলে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজেও গতি ফিরেছে।

তবে শনিবার মাওয়া প্রান্তের ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটির ওপর পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান বসানোর দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হলেও পরে তা সম্ভব হয়নি।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল পদ্মা সেতুতে মোট ৪২টি খুঁটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে মাওয়া প্রান্তে ২১টি ও জাজিরা প্রান্তে ২১টি। আর ৪২টি খুঁটির ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হলো ৩২টি স্প্যান। প্রতিটি স্পেনের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে সবকটি পিলার এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে।

মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।

বহুমুখী এ সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালেই খুলে দেয়া হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২১, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers