Warning: Use of undefined constant jquery - assumed 'jquery' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home4/chulkati24bd/public_html/wp-content/themes/NewsDemo7Theme/functions.php on line 28

বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
চুলকাঠি ২৪  ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।আমাদের চুলকাঠি ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন chulkati24@gmail.com এই ই-মেইলে।    
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের চিহ্নিত করতে হাইকোর্টের কমিটি

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের চিহ্নিত করতে হাইকোর্টের কমিটি

চুলকাঠি রিপোর্ট  : সিলেটের  বিয়ানীবাজার সংলগ্ন সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের চিহ্নিত করার জন্য বালু-পাথরসহ আটককৃত ট্রলার ছেড়ে দেয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

পরিবেশ অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক, সিলেট জেলার পুলিশ সুপারসহ তিনজনকে এই কমিটিতে রাখা হয়েছে।

বিষয়গুলো তদন্ত করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে, সুরমা সংলগ্ন ও কুশিয়ারা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাফসান আল আলভী।

এর আগে গত সপ্তাহ সুরমা-কুশিয়ারা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং অবৈধ বালু-পাথরসহ আটককৃত ট্রলার ছেড়ে দেয়ার ঘটনা তদন্ত চেয়ে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটটি করেন।

অ্যাডভোকেট রাফসান আল আলভী বলেন, সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে অবৈধভাবে প্রভাবশালীরা হেভি ড্রেজিং মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। তাদের বালু উত্তোলনের জন্য কোনো পারমিশন নেই।

এই বিষয়টি চলতি বছরের ৯ জুলাই উপজেলা মাসিক মিটিংয়ে উপস্থাপন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব। মিটিং উপস্থিত ওই এলাকার ৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সবাই মিলে একমত হন।

৫ ইউনিয়ন হলো- আলীনগর, চরখাই, দুবাগ, পুরারবাজার ও শেওলা ইউনিয়ন। এসব এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য প্রতিবছর নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়। মিটিং থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দেয়া হয় ব্যবস্থা নেয়ার।

তবে, প্রভাবশালীদের কারণে তারা জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। পরে ১৪ জুলাই এলাকাবাসীসহ লোকজন অবৈধ বালু পাথরসহ ১২টি ট্রলার আটক করে বিয়ানীবাজার পুলিশে হস্তান্তর করে। কিন্তু বিয়ানীবাজার থানার ওসি অবনী শংকর কর আটককৃত ব্যক্তিসহ ট্রলারগুলো ছেড়ে দেয়। পরে এই ঘটনায় সংক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টে রিট করেন বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব। রিটের শুনানি নিয়ে আদালত উপরোক্ত আদেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি