বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রতিবন্ধিকে মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন রামপালে কাদিরখোল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪১ তম বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে “উগ্রবাদ প্রতিরোধে ছাত্র, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের ভূমিকা” শীর্ষক দিনব্যাপি সেমিনার অনুষ্ঠিত ফ্রী ফায়ার গেম নিয়ে দ্বন্দ, ভ্যান চালক বন্ধুকে হত্যা করে গ্যারেজ মেকানিক বাগেরহাটে সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধে দিনব্যাপী সেমিনার আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশে লুটপাটের মহোৎসব চলছে সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে জেলে আহত হওয়ার দু’দিন লোকালয়ে বাঘের গর্জন নির্বাহী প্রকৌশলীর উপর হামলার প্রতিবাদে ফকিরহাটে মানববন্ধন ফকিরহাট খাদ্যগুদামে বিদায়ী ও নবাগত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা ফকিরহাটে কলেজ ছাত্র হত্যার ঘটনায় মামলা,দু’জন আটক
বাংলা ভাষায় আবেগের ভিন্নতা প্রকাশ করার জন্য চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়

বাংলা ভাষায় আবেগের ভিন্নতা প্রকাশ করার জন্য চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়

রাহুল বণিক  :  বিরাম চিহ্ন ও ব্যাকরণিক চিহ্ন
বিরাম চিহ্ন : বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করার জন্য বাক্য উচ্চারণের সময় বাক্যের মাঝে ও শেষে বিরতি দিতে হয়। এই বিরতির পরিমাণ প্রয়োজন অনুযায়ী কম-বেশি হয়ে থাকে। আবার বাক্য উচ্চারণের সময় বিভিন্ন আবেগের জন্য উচ্চারণ বিভিন্ন হয়ে থাকে। বাক্যটি লেখার সময় এই বিরতি ও আবেগের ভিন্নতা প্রকাশ করার জন্য যেই চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়, তাদেরকে বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন বা ছেদ চিহ্ন বলে।

প্রাচীন বাংলায় মাত্র দুইটি বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হতো, দাঁড়ি (।) ও দুই দাঁড়ি (॥)। পরবর্তীতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ইংরেজি ভাষার অনুকরণে বাংলায় আরো অনেকগুলো বিরাম চিহ্ন প্রচলন করেন। বর্তমানে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্নগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিরাম চিহ্ন নিচে দেয়া হলো-

যতি চিহ্নের নাম
আকৃতি

  • বিরতির পরিমাণ

কমা ,

  • ১ বলতে যে সময় লাগে

দাঁড়ি/ পূর্ণচ্ছেদ ।

  • এক সেকেন্ড

জিজ্ঞাসা বা প্রশ্নসূচক চিহ্ন ?

  • এক সেকেন্ড

বিস্ময়সূচক বা আশ্চর্যবোধক চিহ্ন  !

  • এক সেকেন্ড

ড্যাস  –

  • এক সেকেন্ড

কোলন ড্যাস  :-

  • এক সেকেন্ড

কোলন  :

  • এক সেকেন্ড

সেমি কোলন ;

  • ১ বলার দ্বিগুণ সময়

উদ্ধরণ বা উদ্ধৃতি চিহ্ন  ‘ ’/ ‘‘ ’’

  • এক সেকেন্ড

হাইফেন –

  • থামার প্রয়োজন নেই

ইলেক বা লোপ চিহ্ন ’

  • থামার প্রয়োজন নেই

বন্ধনী চিহ্ন ( )

  • থামার প্রয়োজন নেই { } [ ]

দুই দাঁড়ি  ॥

ত্রিবিন্দু বা ত্রিডট  …

  • বিরাম চিহ্নে ব্যবহার

কমা  (,)

বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে।
পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে। যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে।
সম্বোধনের পরে কমা বসে। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।
জটিল বাক্যের প্রত্যেকটি খন্ডবাক্যের পরে কমা বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।
কোন বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে, তার আগের খন্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। যেমন- আহমদ ছফা বলেন, ‘মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।’ তুমি বললে, ‘আমি কালকে আবার আসবো।’
মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে। যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার।
ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির নাম্বার বা রাস্তার নামের পর কমা বসে। যেমন- ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা- ১০০০।
ডিগ্রী পদবি লেখার সময় কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন- ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম,এ, পি-এইচ,ডি।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২১, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers