মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ

আমাদের চুলকাঠি ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন chulkati24@gmail.com এই ই-মেইলে ।

শিরোনাম :
বাগেরহাটের শিকদার বাড়ী দুর্গামন্দির পরিদর্শন করলেন ডিসি-এসপি রামপালে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এমপি তন্ময় এর অনুদান বিতরণ অনিয়ম-দুর্নীতির দায়ে বিতাড়িত পঃ পঃ কর্মকর্তা এবার বাগেরহাটে বদলি বাগেরহাটে আপন ভাইদের মধ্য জয়গা-জমি নিয়ে বিরোধ বাগেরহাটে চাদার দাবীতে ব্যবসায়ীর জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বাগেরহাটে মিলন স্মৃতি সংসদ বহুতল ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন বাগেরহাটে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উদ্বোধন রাখালগাছি ইউপি নির্বাচনে দলীয় ভাবে ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রবিউল ইসলাম ফারাজী রামপালে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়ায় মানববন্ধন বাগেরহাটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
আইসিটি হবে দেশের আয়ের অন্যতম বৃহৎ খাত

আইসিটি হবে দেশের আয়ের অন্যতম বৃহৎ খাত

মুজিববর্ষ উপলক্ষে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে সারাদেশে এক লাখ বৃক্ষের চারা রোপণের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য স্পেস বরাদ্দপত্র হস্তান্তর এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের আওতায় কনভেনশন হল স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে পাকিস্তানের স্বাধীনতা বিরোধীরা। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ভেবেছিলো এই দেশে আর কখনো জয় বাংলা ধ্বনি উচ্চারিত হবে না। কিন্তু তাদের সেই ভ্রান্ত ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

মেয়র আরো বলেন, ক্ষমতায় থেকে বিএনপি দুঃশাসন করেছে। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়ন করেছে। দেশের সর্বক্ষেত্রে এখন উন্নয়ন দৃশ্যমান। অসংখ্য মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হচ্ছে। এখন প্রতি সপ্তাহে একনেক সভা হচ্ছে, বড় বড় প্রকল্প পাশ হচ্ছে, যা আগে কখনো দেখিনি, কল্পনাতেও ছিল না। বঙ্গবন্ধুর আজীবন লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন তাঁরই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, শিক্ষানগরী রাজশাহীতে হাইটেক পার্ক অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। ২০১১ সালে রাজশাহীতে মাদ্রাসা মাঠের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী হাইটেক পার্ক স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক বাস্তবায়িত হচ্ছে। শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন এন্ড ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নিয়ে এখানকার তরুণ-তরুণীরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখন থেকে আর চাকুরির পেছনে ছুটতে হবে না, নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে মানুষকে চাকুরি দিবে। আগামী দিনে আইসিটি হবে দেশের আয়ের অন্যতম বৃহৎ খাত।

মেয়র আরো বলেন, করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সে জন্য করোনার প্রভাব আমরা সেইভাবে বুঝতে পারিনি। করোনার মধ্যেও রপ্তানি আয় ও রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স এসেছে।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ আয়েন উদ্দিন, মহিলা আসন-৩৭ এর সাংসদ আদিবা আনজুম মিতা। এছাড়াও রাজশাহী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক প্রকল্পের পরিচালক (উপসচিব) একেএ এম ফজলুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক-এ ১০ তলা বিশিষ্ট জয় সিলিকন টাওয়ারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পদ্মাপাড়ে মনোরম পরিবেশে প্রায় ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে উঠছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক’ স্থাপনের কাজ শেষ হলে প্রায় ১৪,০০০ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর আওতায় সারা দেশে প্রথম পর্যায়ে ২৮টি হাই-টেক পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। রাজশাহীতে প্রায় ৩১ একর জায়গায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক গড়ে উঠছে। হাই-টেক পার্কগুলোতে দক্ষ মানবসম্পদ এর চাহিদা পূরণে রাজশাহী ও নাটোরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে এবং দেশের আরো ১০টি স্থানে চলমান আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি জেলায় ট্রেনিং কাম ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২১, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers