মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ

আমাদের চুলকাঠি ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন chulkati24@gmail.com এই ই-মেইলে ।

শিরোনাম :
বাগেরহাটের শিকদার বাড়ী দুর্গামন্দির পরিদর্শন করলেন ডিসি-এসপি রামপালে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এমপি তন্ময় এর অনুদান বিতরণ অনিয়ম-দুর্নীতির দায়ে বিতাড়িত পঃ পঃ কর্মকর্তা এবার বাগেরহাটে বদলি বাগেরহাটে আপন ভাইদের মধ্য জয়গা-জমি নিয়ে বিরোধ বাগেরহাটে চাদার দাবীতে ব্যবসায়ীর জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বাগেরহাটে মিলন স্মৃতি সংসদ বহুতল ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন বাগেরহাটে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উদ্বোধন রাখালগাছি ইউপি নির্বাচনে দলীয় ভাবে ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রবিউল ইসলাম ফারাজী রামপালে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়ায় মানববন্ধন বাগেরহাটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা কম হওয়ার যে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা কম হওয়ার যে ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে

বাংলাদেশে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে করোনাভাইরাসে পরীক্ষার সংখ্যা কেন কমে গেছে, সে ব্যাপারে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা কমার পাশাপাশি কমেছে নতুন শনাক্তের সংখ্যাও, যদিও পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে।বাংলাদেশে কিছুদিন ধরে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ১২ হাজারের কাছাকাছি রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭টি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা হয়েছে ১২, ৪২৩টি নমুনা। যদিও জুন মাসেও প্রতিদিন ১৭ হাজার করে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।নমুনা পরীক্ষা কম হওয়ার কারণে রোগী শনাক্তের সংখ্যাও কমেছে। যদিও এখনো পরীক্ষার বিবেচনায় প্রতি চারজনে একজন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হচ্ছে। আগে এই হার ছিল ২১ শতাংশের কাছাকাছি।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেছেন, ”আমার তথ্য বিশ্লেষণে দেখছি, আমাদের নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষার সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কমেছে। এর কারণ হিসাবে অনেকগুলো ব্যাখ্যা দেওয়া যায়।””সুস্থতার সংজ্ঞা অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, যারা সুস্থ হয়ে গেছেন, তাদের দ্বিতীয়বার আর পরীক্ষা করানোর দরকার হচ্ছে না। এজন্য পরীক্ষার সংখ্যা কিছুটা কমেছে,” তিনি বলছেন।কম পরীক্ষার পেছনে কারণ হিসাবে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ”পরীক্ষা করানোর জন্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি ফি ধার্য করা হয়েছে। সেই কারণে কিছুটা কমতে পারে।””তাছাড়া মানুষের মধ্যে আতঙ্ক অনেকটাই কমে গেছে। মানুষ পরীক্ষা করানোর ব্যাপারে আগ্রহ কম দেখাচ্ছে।”ডা. নাসিমা সুলতানা উদাহরণ দিয়ে বলেন, ”আমাদের যেসব বুথের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করা হয়, যেখানে ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সময় নির্দিষ্ট, সেখানে তিনটার পরেও অনেকে নমুনা দেয়ার জন্য লাইন দাঁড়িয়ে থাকতেন।ৱ”কিন্তু এখন একটার পরেই বুথগুলো শূন্য হয়ে যায়। নমুনা পরীক্ষা করার জন্য কেউ আসে না।”তিনি বলছেন, ”নমুনা পরীক্ষা করার ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ অনেকটাই কমে গেছে। সেই কারণে পরীক্ষাগারে নমুনা আসছে না। তাই নমুনার সংখ্যা কমে গেছে।”তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, ”সবাইকে বলবো, যাদের নমুনা পরীক্ষা করা দরকার, তারা অবশ্যই আপনারা নমুনা যেখানে সংগ্রহ হয়, সেখানে যাবেন এবং নমুনা দেবেন, পরীক্ষা করবেন।অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে সরকার একটি ফি নির্ধারণ করলেও, দরিদ্রদের জন্য পরীক্ষা এখনো বিনামূল্যে রয়েছে।তিনি বলছেন, ”দরিদ্রদের জন্য নমুনা এখনো ফ্রি। যে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নমুনার জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেখানে উল্লেখ আছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য, দরিদ্র মানুষের জন্য নমুনা সংগ্রহ ফ্রি।””কাজেই আপনারা সরকারের এই সুবিধা অবশ্যই গ্রহণ করতে পারেন। যাদের দরকার অবশ্যই নমুনা দিয়ে পরীক্ষা করাবেন।”

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২১, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers