মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ

আমাদের চুলকাঠি ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন chulkati24@gmail.com এই ই-মেইলে ।

শিরোনাম :
চরিত্র পরিবর্তন করে আরও শক্তিশালী হচ্ছে করোনা ভাইরাস

চরিত্র পরিবর্তন করে আরও শক্তিশালী হচ্ছে করোনা ভাইরাস

নিজস্ব ডেস্ক   : প্রাথমিক পর্যায়ে করোনা ভাইরাসের যে আকার বা চরিত্র ছিল, তা বদলাচ্ছে। ফ্লোরিডার গবেষকরা জানাচ্ছেন আরও শক্তিশালী হচ্ছে করোনা ভাইরাস। এই সমীক্ষার ফলাফল বেশ আতঙ্ক বাড়াচ্ছে। গবেষকদের মতে চিনে যখন প্রথম করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে, তখন যে পরিমাণে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছিলেন, এখন অনেক দ্রুত ছড়াচ্ছে সেই ভাইরাস।এর একটাই কারণ করোনা ভাইরাস আরও শক্তিশালী হচ্ছে। দ্রুত মানবশরীরে প্রবেশের ক্ষমতা ধারণ করেছে। ফলে ক্রমশ ছড়াচ্ছে করোনা। ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই ধরণের ভাইরাসের চরিত্রে বদল দেখা গিয়েছে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।ভাইরাস নিজের সারফেস প্রোটিন বদলাচ্ছে বলে তথ্য মিলেছে। যার জেরেই চরিত্র বদলাচ্ছে করোনা। যে মানব কোষে করোনা জায়গা করতে পারত না, সারফেস প্রোটিন বদলানোর ফলে সেখানেও হামলা চালাতে পারছে করোনা, জানাচ্ছেন গবেষকরা।এদিকে, দিন কয়েক আগেই দেখা যায় কোনও ব্যক্তির মধ্যে করোনার কোনও লক্ষ্মণ না থাকলেও, আচমকাই মৃত্যু হচ্ছে তাঁর। পরে দেখা যাচ্ছে, তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। অন্ধ্রপ্রদেশে এই ধরণের মৃত্যু বেশ কয়েকটি হওয়ায় রীতিমত চিন্তায় পড়েছেন রাজ্যের চিকিৎসকরা।চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন রোগির মধ্যে করোনার কোনও লক্ষ্মণ না পাওয়া গেলেও, হঠাতই শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে তাঁর। চিকিৎসার শুরুর আগেই মৃত্যু হচ্ছে রোগির। মেডিক্যাল রিপোর্ট জানাচ্ছে, যদি কোনও ব্যক্তির থেকে অন্তত ২০০ জন করোনা আক্রান্ত হন, তবে তাঁর এই ভাবে মৃত্যু হতে পারে। মেডিক্যাল পরিভাষায় এই ব্যক্তিকে বলা হচ্ছে সুপার স্প্রেডার।উল্লেখ্য, অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলার পেডাপুডি ও সংলগ্ন এলাকায় এরকম এক ব্যক্তির সন্ধার মিলেছে, যার নিজের কোনও করোনা লক্ষ্মণ ছিল না। অথচ তিনি সুপার স্প্রেডার ছিলেন। স্থানীয় কাঁকিনাড়ার একটি হাসপাতালে ভরতি হওয়ার পর আধ ঘন্টার মধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই ধরণের অ্যাসিম্পোট্যোম্যাটিক রোগিরা প্রাথমিকভাবে সুস্থ বলেই মনে করা হয়। কিন্তু ভিতরে ভাইরে বিভিন্ন অংশের ক্ষতিসাধন করে চলে। আচমকাই এঁদের রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এরফলে চিকিৎসার বিন্দুমাত্র সুযোগও এই ধরণের রোগিরা দেন না। মারা যান।নতুন ধরণের এই বদলের নাম D614G। বিশ্ব জুড়ে মৃত্যুর হার কমলেও ভয়াবহতা একই থাকছে করোনা ভাইরাসের। আপাতত গবেষকরা এই নতুন D614G-র চরিত্র উদঘাটনে ব্যস্ত। ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে একাধিক নমুনাও এজন্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০২০২, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers